কম্পিউটার কারখানায় ল্যাপটপ, ডেস্কটপের পাশাপাশি মাদারবোর্ড, র‍্যাম, এস এস ডি তৈরি করতে যাচ্ছে ওয়ালটন।

ওয়ালটন কারখানায় দুই স্তর বিশিষ্ট মাদারবোর্ড তৈরি হচ্ছে। চলতি বছরের মধ্যেই ওয়ালটন মাল্টিলেয়্যার মাদারবোর্ড তৈরিসহ কম্পিউটারের সমস্ত কিছুই যেমন: র‌্যাম, এএসডি ডিভাইসেস ইত্যাদি নিজেরাই তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।

 

সূত্র জানায়, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজে কম্পিউটার উৎপাদন ইউনিটে স্থাপন করা হয়েছে বিশ্বের লেটেস্ট জাপানি ও জার্মান প্রযুক্তির মেশিনারিজ। গড়ে তোলা হয়েছে ল্যাপটপ ও কম্পিউটার ডিজাইন ডেভেলপ, গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ, মান নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও টেস্টিং ল্যাব।

 

প্রাথমিকভাবে এই কারখানায় মাসে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার ইউনিট ল্যাপটপ, ৩০ হাজার ইউনিট ডেস্কটপ এবং আরো ৩০ হাজার ইউনিট মনিটর। পর্যায়ক্রমে কম্পিউটারের অন্যান্য অ্যাক্সেসরিজসহ পেন ড্রাইভ, কিবোর্ড এবং মাউস উৎপাদনে যাবে ওয়ালটন।

ওয়ালটনের এই কারখানায় তৈরি হতে যাচ্ছে ইন্টেলের সর্বশেষ প্রজন্মের প্রসেসরযুক্ত ল্যাপটপ। উৎপাদন হবে সাশ্রয়ী মূল্যের বিভিন্ন মডেলের ওয়ালটন ডেস্কটপ এবং মনিটর।

 

এরইমধ্যে এসএমটি (সার্ফেস মাউন্টিং টেকনোলজি) সিস্টেমের মাধ্যমে পিসিবি (প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড) এর ওপর অতি নিখুঁতভাবে সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম পিন বসিয়ে উচ্চ গুণগতমানের পিসিবিএ বা মাদারবোর্ড তৈরি শুরু হয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে প্রয়োজনীয় কাঁচামালের পর্যাপ্ত মজুদ। ওয়ালটন কম্পিউটার কারখানায় কর্মসংস্থান হচ্ছে এক হাজার লোকের।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানায়, গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো কম্পিউটার তৈরির অত্যাধুনিক কারখানা। যার মধ্যে দিয়ে আত্মপ্রকাশ করল দেশের প্রথম কম্পিউটার উৎপাদন কারখানা। সেই সঙ্গে স্মার্টফোনের পর বাংলাদেশের নাম যুক্ত হলো কম্পিউটার উৎপাদনকারী দেশের তালিকায়। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য উৎপাদন খাতে রচিত হলো নতুন ইতিহাস। উন্মোচিত হলো উচ্চ প্রযুক্তি পণ্যে নতুন দিগন্ত।

 

মূল লেখাঃ রাইজিংবিডি.কম