সারা বিশ্বের তৃতীয় এবং চায়নার নাম্বার ওয়ান ফোন, খুব দ্রুত মার্কেটে সফল কোম্পানি Xiaomi । ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে মাত্র ৪  বছরের মাথায় ২০১৪ সালে ঝড়ের গতিতে মোবাইল মার্কেটে নিজেদের শক্ত অবস্থান গড়ে তোলে Xiaomi । তাদের ফ্লাগশীপ ফোন Mi4 ছিল ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ বিক্রিত ফোনের মধ্যে একটি। ২০১০ সালে ৮ জন পার্টনার মিলে ব্যাবসা শুরু করে ২০১৪ সালে তাদের ইক্যুইটির পরিমান দাঁড়ায় ১ বিলিয়ন । এবং তাদের কোম্পানির ভেলুয়েশন দাঁড়ায় ৪৫ বিলিয়ন।  

 

তাদের প্রথম ফোন Mi2 ১১ মাসের মধ্যে প্রায় ১০ মিলিয়ন বিক্রি হয়। এরপর  Mi3 এবং redmi এরপর মডেলও ছিল সফল। তাদের সফলতার মুল কারন স্যামসাং বা আইফোন থেকে ভিন্নধর্মী বিজনেস স্ট্রেটেজি।    

 

তারা খুব অল্প লাভে ফোন বিক্রি করার কারনে তাদের ফোন বিক্রির পরিমান ছিল রেকর্ড সংখ্যক যা তাদের মুনাফার পরিমান বৃদ্ধি করেছে। স্যামসাং কোম্পানির একটা মডেল যেখানে ৬ মাস প্রোডাকশনের পর বন্ধ হয়ে নতুন মডেল আসে, সেখানে তাদের একটা মডেলের প্রোডাকশন চলে প্রায় ১৮ মাস।

 

তাদের গ্রাহকদের অভিযোগ এবং পরামর্শ খুব গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে যার ফলে তাদের কাস্টমার সেটিস্ফেকশন লেভেল অনেক হাই। এটিও তাদের সফলতার অন্যতম কারন। এই কোম্পানির সারা বিশ্বে নিজস্ব কোন দোকান বা শোরুম নেই। তারা শুধুমাত্র অনলাইনে ফোন বিক্রি করে। এর ফলে তাদের কস্টিং আরো কমে যায়, যা তাদেরকে সফলতার শীর্ষ পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে।

 

Lei Jun Lei Jun

 

Xioami কোম্পানির কো-ফাউন্ডার এবং সিইও Lei Jun সফলতার সাথে কোম্পানির ব্যাবসা সম্প্রসারন করে যাচ্ছে । তিনি ২০১৪ সালে ফরবেস এশিয়ার বিজনেসম্যান অব দ্যা ইয়ার এওয়ার্ড পান।