যারা ভাবছেন যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের এডি, বিএসসির দুইটি নিয়োগ পরীক্ষাসহ অন্যান্য Lucrative জবের প্রিলি পরীক্ষার অনেক অনেক দেরি আছে- পড়াশোনায় ঢিল দিয়েছেন- ধরা খাবেন।

ধরা যদি খেতে না চান, চালিয়ে যান। মানে পড়াশোনা চালিয়ে যান।
পড়াশোনা বিষয়ক কোনকিছুকে আমি শর্ট টেকনিক, টিপস, কৌশল ইত্যাদি ফাঁকিবাজি শব্দ দিয়ে আবদ্ধ করতে কুণ্ঠাবোধ করি। এটাকে বরং Process বললে পড়াশোনা নামক গাম্ভীর্যপূর্ণ শব্দের সাথে মিল খায়।
 ধরে নিন, সময় আছে মাত্র দেড় মাস। তাই বলি, নিচের Processগুলো ট্রাই করে দেখতে পারেনঃ

 

১। আমি অমুক বিশ্ববিদ্যালয়ের, অমুক কলেজের, তমুক সাবজেক্টের ছাত্র- আমার দ্বারা হবে কী!- এইসব ফালতু এবং অকাজের চিন্তাধারা বাদ দিয়ে দিন। আপনি পরীক্ষা দেয়ার যোগ্য না হলে সার্কুলারেই আপনাকে রিটার্ন টিকিট ধরিয়ে দিত; 
২। পাবলিকের Distracting কথায় কান না দিয়ে নিজের মত করে প্লান করে ফেলুন;
৩। আপনার দুর্বল দিকটাতে বেশি সময় দিন;
৪। তবে সবগুলো বিষয়ই Touch করবেন। Touch করা মানে স্পর্শ করেই ছেড়ে দিবেন তা নয়; বরং কিছু না কিছু পড়ুন এবং লিখুন;
৫। লিখুন বিশেষ করে কঠিন বানানগুলো;
৬। কোন টপিক পড়ার পর নিজের সাথেই প্রশ্নোত্তর নাটক করুন;


৭। ঈর্ষা, হিংসা মন থেকে ঝেড়ে ফেলে জেদটাকে বের করে আনুন। কাজ দেবে;
৮। নিজের লক্ষ্য কারো সাথেই শেয়ার করবেন না। এতে জিদের ধার কমে যায়;
৯। যখনই লক্ষ্যচ্যুত হতে মন চাইবে, শরীর বিদ্রোহ করে উঠবে- নিজেকে অটো-সাজেশান দিন। আপনার সবথেকে বড় এবং বিশ্বস্ত গাইড আপনি নিজে;
১০। সম্ভব হলে কারো সাথে আলোচনার মাধ্যমে পড়াশোনা করেন। গ্রুপ স্টাডি খুব কাজের জিনিস;
১১। আপনাকে চাকরি করতেই হবে- এমন দিব্যি কেউ আপনাকে দেয়নি। সুযোগের শেষ সার্কুলার পর্যন্ত চেষ্টা করে যান। চেষ্টা করলেই যে আপনি সব সময় সফল হবেন- এমন গ্যারান্টি কেউ আপনাকে দেবে না। সবকিছুর জন্যই নিজেকে প্রস্তুত করে রাখুন-কষ্টটা কম লাগবে।

 

আমার কথা আপনার শুনতেই হবে বা মানতেই হবে- এমন কোন বাধ্যবাধকতা নাই। সময় আপনার, জীবন আপনার, সিদ্ধান্তও আপনার। সেখানে আমি এক হরিদাস পাল বই কেউ নই।