২৮ তম বিসিএস থেকে শুরু করে ৩৫ তম বিসিএস পর্যন্ত কোটা প্রথার বলি প্রায় ৩৫০০ জন মেধাবী তরুণ। কোটায় যোগ্য প্রার্থী না থাকায় এ পদগুলোতে কাওকে নিয়োগ দেয়া হয় নাই 

 

সর্বশেষ অগ্রণী ব্যাংক এর সিনিয়র অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রেও কোটার কারণে ৬৪ জন মেধাবী তরুণকে বঞ্চিত হতে হয়েছে ত্রুটিপূর্ণ কোটা পদ্ধতির আসন পূরণ না হওয়ার কারণে! বাংলদেশ কৃষি ব্যাংক এর সর্বশেষ সিনিয়র অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রেও কোটার কারণে ৪৪ টি আসন শুন্য রয়ে গেছে! সোনালি ব্যাংক এর আইটি অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই কাহিনি এবং এ ক্ষেত্রে সংখ্যাটি ২০৪! এমনকি সর্বশেষ সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের ক্ষেত্রেও কোটার আসন পূরণ না হওয়ায় ২৭৮১ টি পদ খালি রয়ে গেছে!

 

এ রকম উদাহরণ শত শত দেয়া যাবে। শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ কোটা পদ্ধতির কারণে ২৬ লক্ষ বেকার যুবকের দেশে (আগামি ৫ বছরের মধ্যে এটা অর্ধ কোটি অতিক্রম করবে  এভাবে লক্ষ লক্ষ মেধাবী বেকার তরুণ/তরুণীকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে!!!

 

কিন্তু আর কত? স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরে এসেও কি আমাদের এ বোধদয় হবে না যে এ দেশের জন্য কোটা প্রথা কতটা অভিশাপ! এখনই যদি এ ব্যাপারে সরকার কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে এ দেশের ভবিষ্যৎ কি হবে?

তাই আসুন আমরা যারা এখনও এ দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী তারা সবাই চলমান কোটা বিরোধী আন্দোলন এর সাথে দল মত নির্বিশেষে একাত্মতা প্রকাশ করি।

 

কোটাধারী নয় জয় হোক মেধাবীদের